দুলহা আল্লাহর ঘর থেকে, দুলহান রাসূল ﷺ এর ঘর থেকে! পহেলা জিলহজ্ব মওলা আলী এবং ফাতেমাতুজ জাহরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমার শাদী মুবারক

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

বর এমন একজন মহান পুরুষ যিনি মু’মিনগণের মওলা, জ্ঞানের দরোজা, আহলে বাইতের মধ্যমণি, যাকে ভালবাসলে মু’মিন আর ঘৃণা করলে মুনাফিক, সত্য যাঁর সাথে ঘোরে, যাঁকে ভালোবাসা ঈমান, যাঁর চেহারা দেখাও এবাদত। আর কনে সমস্ত নারী জাতির জন্যে বিশেষ আদর্শের, দুনিয়া এবং আখেরাতে যিনি অতুলনীয় সম্মানীয়, হাশরের ময়দানে আল্লাহ্‌ পাক যাঁর বেহেশত গমনের সময় সমস্ত হাশরবাসিকে মাথা অবনত করতে নির্দেশ দিবেন, যাঁর বেহেশত গমনের সময় ৭০ হাজার হুর তাঁর রূপ ধারণ করে তাঁকে ঘিরে থাকবে যাতে কেউ বুঝতে না পারে তিনি কোন জন, যিনি রাসূল ﷺ থেকে আর রাসূল ﷺ যাঁর থেকে, যিনি বেহেশতের যুবকদের সর্দারদ্বয়ের মা, তাঁর তুলনা তিনি নিজেই।

কাসীদায়ে শাহ নি’মাতুল্লাহ রহঃ ভবিষ্যদ্বাণী যেভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

প্রায় ৮শ বছর পূর্বে লিখিত ভারতবর্ষ এবং সমসাময়িক বিশ্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে শাহ নি’মাতুল্লাহ রহঃ’র কবিতা। এ পর্যন্ত এর প্রতিটি ভবিষ্যৎবাণী অক্ষরে অক্ষরে ফলেছে।

হিন্দুরা কেন দেশত্যাগ করেন?

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

দেশ ত্যাগ করে এসে সহানুভূতি কুড়োতে বা দেশত্যাগ করার কাজটি জাস্টিফাই করতে অধিকাংশ মানুষ মুসলিম অত্যাচারের গল্প ফাঁদেন।

আ-তায়ে রাসূল [ﷺ] খাজা গরীবে নেওয়াজ [রহঃ]

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

তাঁর ভালোবাসা, সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ, মানুষের প্রতি মমত্ববোধ, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে আল্লাহ্‌র সৃষ্টি হিসেবে যথাযথ মর্যাদা এবং আপন করে নেয়ার মাধ্যমে তিনি একাই প্রায় ৯০ লক্ষ অমুসলিমকে ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আনতে সমর্থ হন। তিনি ছিলেন সূফী সাধক। ভালোবাসার ফেরিওয়ালা। ভালোবাসা বিলানোই তাঁর কাজ।

শোকাহত আগস্টঃ আব্দুর রহমানের মতো দেশপ্রেম চাই

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

বাবা-মা, ভাইবোন, আত্মীয়পরিজন হারানোর কষ্ট আমাদের প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে কেউ বেশি অনুধাবন করেন না। তাই উনার কাছে আকুতি থাকবে স্বজন হারানোর কষ্টে যেন পুরো দেশের মানুষকে আর শোকাভিভূত না করে। একটি ১৫ই আগস্ট পুরো জাতির কান্না। ঘরে ঘরে ১৫ই আগস্ট চাই না। যারা তাদের আপনজন হারাচ্ছেন তাদের জন্য সেটাই সবচেয়ে বড় ১৫ই আগস্ট।

আমরা সত্য বলা ভুলে গেছি!

অধিকার
পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

ইউশা আ যখন নব্যুতের দায়িত্ব পান, আল্লাহ্‌ পাকের পক্ষ থেকে একটি ওহী আসে। সেখানে বলা হয়, বনী ইসরাইলের এক লক্ষ লোককে ধ্বংস করা হবে, যাদের মধ্যে ৪০ হাজার সৎ লোকও থাকবে। বাকি ৬০ হাজার থাকবে অসৎ লোক। নবী ইউশা জানতে চাইলেন, অসৎ লোকদের ধ্বংস হবার কারণ জানি, কিন্তু সৎ লোকদের কেন ধ্বংস করা হবে? উত্তরে আল্লাহ্‌ পাক জানান, এর কারণ এ সৎলোকগুলো অসৎলোকদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখে। তাদের সাথে পানাহার ও হাসি-তামাশায় যোগদান করে। আমার অবাধ্যতা ও পাপাচার দেখে কখনও তাদের চেহেরায় বিতৃষ্ণার চিহ্ন ফুটে উঠেনি।

কা’বার সৌন্দর্য্য

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

চারকোণা একটি স্থাপনা। কাছ থেকে দেখলে কখনও মনে হয় খুব ছোট। কখনও আবার মনে হয় অনেক বড়। এর চারপাশে রয়েছে মসজিদুল হারাম। দশ লক্ষেরও বেশি মুসুল্লি যেখানে একসাথে নামায আদায় করতে পারেন। মসজিদুল হারাম অতিক্রম করে কা’বার দিকে অগ্রসর হতেই চোখে পড়ে কা’বা! মনে হয় পুরো চত্বর জুড়ে এ ঘরের অবস্থান। প্রশান্ত, প্রশস্ত, শান্তিময় কা’বা।

সোলায়মান শাহ রহঃ-এর একটি কারামত

লেংটার মেলা
পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

লক্ষ লক্ষ মানুষ আসে এই মেলায়। বিরতিহীন ভাবে চলে ঢোল, নারীপুরুষের সম্মিলিত নাচ। পশ্চিমাদের ডিস্কোর মতো। এটা অলির দোষ নয়। যারা মাজার পরিচালনা করেন তাদের দোষ।

হারাধনেরা কি হারিয়ে যাচ্ছে?

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

প্রিয়া সাহা যাদেরকে মিসিং বা ডিজএপেয়ার্ড বলছেন তারা আসলে এদেশে ভালো থাকার পরও স্বেচ্ছায় দেশ ছেড়ে চলে গেছে। তাছাড়া মুসলমানদের তুলনায় হিন্দুদের প্রজনন ক্ষমতা কম। যেমন রোহিঙ্গা নারীদের প্রজনন ক্ষমতা অন্য বৌদ্ধ বা বাঙালী নারীর তুলনায় বেশি। ৪৭-এ দেশ ভাগের সময় এদেশে ২৯ ভাগের উপর হিন্দু থাকলেও এখন তা ৯ এ নেমে আসার এটিই মূল কারণ। তারা হারিয়ে যায় নি। স্বেচ্ছায় দেশ ত্যাগ করেছে। আমি বাংলাদেশ থেকে হারিয়ে যাইনি। আমি এবং আমার স্ত্রী স্বেচ্ছায় দেশ ত্যাগ করে সুইডেনে আছি। কেউ পরিসংখ্যান দিয়ে বলতে পারে আমরা মিসিং। কেননা, আমাদের আপডেটেড ডাটা সরকার বা অন্য কারও খাতায় নেই।

ইহুদী-খৃষ্টানদের বলির পাঁঠা কারা?

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

মুসলমানদের আগে নিজেদের কুরআন ও সুন্নাহর দিকে ফিরে আসতে হবে। তাদেরকে সব ধরণের গোঁড়ামি পরিহার করতে হবে। জ্ঞান ও বিজ্ঞানে মনোযোগ দিতে হবে। উদারপন্থী সূফীবাদকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। ধর্মান্ধতা পরিহার করতে হবে। ঘৃণার পরিবর্তে ঘৃণা না ছড়িয়ে ধৈর্য্য আর সহনশীলতা দিয়ে কৌশলে এগুতে হবে। সবার আগে প্রয়োজন মধ্যপ্রাচ্যের ঘুমিয়ে থাকা আরব ক্ষমতালোভী নেতাদের ঘুম থেকে জেগে উঠা।