মোহররম – কাজী নজরুল ইসলাম

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২০ সালের মার্চ মাসে সেনাবাহিনী থেকে ফিরে আসেন কোলকাতায়। তার চার মাস পর তিনি লিখেছিলেন তার বিখ্যাত ‘মহররম’ কবিতা। পবিত্র আশুরা উপলক্ষে মাসিক ‘মোসলেম ভারত’ পত্রিকায় ৮ আশ্বিন ১৩২৭ বঙ্গাব্দ, ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯২০ খ্রিস্টাব্দ মোতাবেক হিজরীর ১৩৩৯ সনের ১০ মহররম হাবিলদার কাজী নজরুল ইসলাম নামে এই কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।

মওলা আলীর (আ. ও রা.) বেলায়তের অভিষেক ও হাদীসে গাদীরে খুম, শিয়াদের গোমরাহী ও সুন্নীদের নির্লিপ্ততা: একটি পর্যালোচনা -আবছার তৈয়বী

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

আমি যার মাওলা, এই আলীও তার মাওলা।” হে আল্লাহ! যে তাঁকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করবে, তাকেও তুমি বন্ধুরূপে গ্রহণ করো। যে তাঁর সাথে শত্রুতা করবে, তুমিও তার সাথে শত্রুতা করো। যে তাঁকে ভালোবাসবে, তাকে তুমিও ভালোবাস। যে তাকে ঘৃণা বা অপদস্থ করবে, তাকে তুমিও ঘৃণা ও অপদস্থ করো। যে তাঁকে সাহায্য করবে, তাকে তুমিও সাহায্য করো এবং যে তাঁকে সাহায্য থেকে বিরত থাকবে, তাকে তুমিও সাহায্য থেকে বিরত থাকো এবং সে যেদিকে ঘোরে, সত্যকেও তার সাথে সেদিকে ঘুরিয়ে দাও।

শোকাহত আগস্টঃ আব্দুর রহমানের মতো দেশপ্রেম চাই

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

বাবা-মা, ভাইবোন, আত্মীয়পরিজন হারানোর কষ্ট আমাদের প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে কেউ বেশি অনুধাবন করেন না। তাই উনার কাছে আকুতি থাকবে স্বজন হারানোর কষ্টে যেন পুরো দেশের মানুষকে আর শোকাভিভূত না করে। একটি ১৫ই আগস্ট পুরো জাতির কান্না। ঘরে ঘরে ১৫ই আগস্ট চাই না। যারা তাদের আপনজন হারাচ্ছেন তাদের জন্য সেটাই সবচেয়ে বড় ১৫ই আগস্ট।

আমরা সত্য বলা ভুলে গেছি!

অধিকার
পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

ইউশা আ যখন নব্যুতের দায়িত্ব পান, আল্লাহ্‌ পাকের পক্ষ থেকে একটি ওহী আসে। সেখানে বলা হয়, বনী ইসরাইলের এক লক্ষ লোককে ধ্বংস করা হবে, যাদের মধ্যে ৪০ হাজার সৎ লোকও থাকবে। বাকি ৬০ হাজার থাকবে অসৎ লোক। নবী ইউশা জানতে চাইলেন, অসৎ লোকদের ধ্বংস হবার কারণ জানি, কিন্তু সৎ লোকদের কেন ধ্বংস করা হবে? উত্তরে আল্লাহ্‌ পাক জানান, এর কারণ এ সৎলোকগুলো অসৎলোকদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখে। তাদের সাথে পানাহার ও হাসি-তামাশায় যোগদান করে। আমার অবাধ্যতা ও পাপাচার দেখে কখনও তাদের চেহেরায় বিতৃষ্ণার চিহ্ন ফুটে উঠেনি।

সোলায়মান শাহ রহঃ-এর একটি কারামত

লেংটার মেলা
পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

লক্ষ লক্ষ মানুষ আসে এই মেলায়। বিরতিহীন ভাবে চলে ঢোল, নারীপুরুষের সম্মিলিত নাচ। পশ্চিমাদের ডিস্কোর মতো। এটা অলির দোষ নয়। যারা মাজার পরিচালনা করেন তাদের দোষ।

মুসলমানের নাতি যেভাবে আজ ইহুদি প্রধানমন্ত্রী

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

আজ থেকে হয়তো ৫০ বছর পর কেউ লিখবেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট কিংবা ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর পূর্ব পুরুষ বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কিংবা উলটোটাও হতে পারে। এখন থেকে ২৫ বছর পরে সংবাদ ছাপা হতে পারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কিংবা বিরোধী দলিয় নেতা আমেরিকান ইহুদি কিংবা ব্রিটেনের খৃষ্টান বংশোদ্ভূত। আজকে যারা বাংলাদেশে নিজেদেরকে সেক্যুলার হিসেবে পরিচয় দিয়ে গর্ববোধ করছেন তাদের নাতিপুতিরা একদিন ইহুদি বা খৃষ্টান বা হিন্দু হয়ে ফিরে আসলে অবাক হবেন না।

হারাধনেরা কি হারিয়ে যাচ্ছে?

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

প্রিয়া সাহা যাদেরকে মিসিং বা ডিজএপেয়ার্ড বলছেন তারা আসলে এদেশে ভালো থাকার পরও স্বেচ্ছায় দেশ ছেড়ে চলে গেছে। তাছাড়া মুসলমানদের তুলনায় হিন্দুদের প্রজনন ক্ষমতা কম। যেমন রোহিঙ্গা নারীদের প্রজনন ক্ষমতা অন্য বৌদ্ধ বা বাঙালী নারীর তুলনায় বেশি। ৪৭-এ দেশ ভাগের সময় এদেশে ২৯ ভাগের উপর হিন্দু থাকলেও এখন তা ৯ এ নেমে আসার এটিই মূল কারণ। তারা হারিয়ে যায় নি। স্বেচ্ছায় দেশ ত্যাগ করেছে। আমি বাংলাদেশ থেকে হারিয়ে যাইনি। আমি এবং আমার স্ত্রী স্বেচ্ছায় দেশ ত্যাগ করে সুইডেনে আছি। কেউ পরিসংখ্যান দিয়ে বলতে পারে আমরা মিসিং। কেননা, আমাদের আপডেটেড ডাটা সরকার বা অন্য কারও খাতায় নেই।

পার্বত্য অঞ্চল হবে স্বাধীন জুমল্যান্ড অথবা ভারতের অংশ দেশদ্রোহীদের এখনোই রুখতে হবে

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

আমরা বাংলাদেশের মুসলমানরা শান্তিপ্রিয় এবং অসাম্প্রদায়িক। আমরা সকল ধর্ম এবং বর্ণের মানুষ এক সাথে একই ভৌগলিক সীমারেখায় এক দেশের নাগরিক হিসেবে বসবাস করতে বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষই উদার এবং ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী। এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে দিকে দিকে বিভিন্ন সন্ত্রাসী, হিংস্র এবং সাম্প্রদায়িক শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। অনেকদিন থেকেই হিন্দুদের বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের কথা শুনে আসছি। এবার শুনছি পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বৌদ্ধদের মুখ থেকে। তারা কেবল মুসলিম বিদ্বেষীই নয়, চরম হিংস্র এবং ভয়ংকর রকমের বর্ণবাদী।

কুরআনে কেন হরকত দেয়া হলো?

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

আবুল আসওয়াদ রহঃ নবী করীম ﷺ এঁর জীবদ্দশাতেই ইসলাম গ্রহণ করেন। তবে নবীজীর ﷺ সাক্ষাৎ লাভ করতে পারেন নি বলে সাহাবী হবার গৌরব লাভে ব্যর্থ হন। আবুল আসওয়াদ আদ দুআল্লিকে আরবি গ্রামারের উদ্ভাবক বলা হয়। তবে তা করেছেন মওলা আলী কারামুল্লাহু ওয়াজহুর পরামর্শে। তিনি আরবি অক্ষরে নোকতা এবং হরকতের প্রবর্তন করেন। এর পূর্বে আরবিতে কোনও নোকতা ছিল না। পরবর্তীতে স্বৈরশাসক হাজ্জাজ বিন ইউসুফের নেতৃত্বে আবুল আসওয়াদ রহঃ দুজন ছাত্র কুরআনের হরকত অর্থাৎ জের-জবর-পেশ এসব যোগ করেন।

নৃত্যরত মৌমাছি

পোষ্টটি অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করুন প্লিজ।

মৌমাছি আমাদের কিভাবে উপকার করছে ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে তা নিয়ে এই পোস্ট। হাদিসে নিয়মিত মধু খাবার উপর জোর দেয়া হয়েছে। বিজ্ঞানও এখন এর উপকারিতা দেখে অবাক। জেনে নিন এ সম্পর্কীয় বিষয়াদি।